ব্যাংক একাউন্ট খুলতে কি কি লাগে

ব্যাংক একাউন্ট সাধারনত দুই ধরনের হয়ে থাকে। ডিমান্ড ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট এবং টাইম ডিপোজিট একাউন্ট। ডিমান্ড ডিপোজিট একাউন্টে জমাকৃত টাকা গ্রাহক যে কোন সময়ে তার চাহিদা মতো জমা এবং উত্তোলন করতে পারে। ডিমান্ড ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট গুলো হল সেভিংস ডিপোজিট  একাউন্ট, কারেন্ট ডিপোজিট  একাউন্ট, শর্ট টার্ম ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট এবং অন্যান্য একাউন্ট।

ইন্টারনেট ব্যাংকিং

অন্যদিকে টাইম ডিপোজিট একাউন্টে গ্রাহক ইচ্ছামত টাকা জমা এবং উত্তোলন করতে পারে না। এই একাউন্টে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। সেভিংস ডিপোজিট একাউন্ট, কারেন্ট ডিপোজিট একাউন্ট এবং শর্ট টার্ম ডিপোজিট একাউন্ট খুলতে যে ডকুমেন্টস লাগে তা হল-

সাধারণ ডকুমেন্ট:

  • একাউন্ট অপেনিং ফর্ম সঠিকভাবে পূরণ করা এবং স্বাক্ষর করা।
  • বৈধ ইন্ট্রোডিউসার।
  • ইন্ট্রোডিউসার কর্তৃক সত্যায়িত গ্রাহকের দুই কপি পাসপোর্ট সাইজ ফটোগ্রাফ।
  • গ্রাহক কর্তৃক সত্যায়িত নমিনির ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ফটোগ্রাফ এবং জাতীয় পরিচয় পত্র/বৈধ পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র।
  • ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত প্রাথমিক জমা।

অতিরিক্ত ডকুমেন্ট:

একাউন্টের প্রকৃতিকারেন্ট ডিপোজিট / শর্ট টার্ম ডিপোজিট একাউন্টসেভিংস ডিপোজিট একাউন্ট
ব্যক্তিগত একাউন্ট১। জাতীয় পরিচয় পত্র/বৈধ পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র
২। ঠিকানা প্রমানের জন্য ডকুমেন্ট যেমন -বিদ্যুৎ বিল /পানির বিল /গ্যাস বিলের ফটোকপি।
৩। আয়ের উৎস প্রমানের জন্য ভিজিটিং কার্ড/জব আইডি (গ্রাহক চাকরি করলে)
৪। স্টুডেন্ট আইডি (গ্রাহক স্টুডেন্ট হলে)
৫। ই-টিন সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
১। জাতীয় পরিচয় পত্র/বৈধ পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র
২। ঠিকানা প্রমানের জন্য ডকুমেন্ট যেমন -বিদ্যুৎ বিল /পানির বিল /গ্যাস বিলের ফটোকপি।
৩। আয়ের উৎস প্রমানের জন্য ভিজিটিং কার্ড/জব আইডি (গ্রাহক চাকরি করলে)
৪। স্টুডেন্ট আইডি (গ্রাহক স্টুডেন্ট হলে)
৫। ই-টিন সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
জয়েন্ট একাউন্ট১। জাতীয় পরিচয় পত্র/বৈধ পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র
২। ঠিকানা প্রমানের জন্য ডকুমেন্ট যেমন -বিদ্যুৎ বিল /পানির বিল /গ্যাস বিলের ফটোকপি।
৩। আয়ের উৎস প্রমানের জন্য ভিজিটিং কার্ড/জব আইডি (গ্রাহক চাকরি করলে)
৪। স্টুডেন্ট আইডি (গ্রাহক স্টুডেন্ট হলে)
৫। ই-টিন সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
৬। জয়েন্ট ডিক্লারেশন
১। জাতীয় পরিচয় পত্র/বৈধ পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র
২। ঠিকানা প্রমানের জন্য ডকুমেন্ট যেমন -বিদ্যুৎ বিল /পানির বিল /গ্যাস বিলের ফটোকপি।
৩। আয়ের উৎস প্রমানের জন্য ভিজিটিং কার্ড/জব আইডি (গ্রাহক চাকরি করলে)
৪। স্টুডেন্ট আইডি (গ্রাহক স্টুডেন্ট হলে)
৫। ই-টিন সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
৬। জয়েন্ট ডিক্লারেশন
প্রোপাইটরশিপ একাউন্ট১। জাতীয় পরিচয় পত্র/বৈধ পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র
২। বৈধ ট্রেড লাইসেন্স
৩। প্রোপাইটরশিপ ডিক্লারেশন
৪। টিন সার্টিফিকেট
প্রযোজ্য নহে।
পার্টনারশিপ একাউন্ট১। জাতীয় পরিচয় পত্র/বৈধ পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র
২। বৈধ ট্রেড লাইসেন্স
৩। পার্টনারশিপ ডিক্লারেশন
৪। রেজিস্টার্ড পার্টনারশীপ ডিড
৫। টিন সার্টিফিকেট
৬।পার্টনারদের তালিকা
৭। একাউন্ট খোলার জন্য রেজুলেশন
প্রযোজ্য নহে।
প্রাইভেট লিমিটেড
কোম্পানি একাউন্ট
১। জাতীয় পরিচয় পত্র/বৈধ পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র
২। বৈধ ট্রেড লাইসেন্স
৩। মেমোরান্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন অন্ড আর্টিকেলস
অব অ্যাসোসিয়েশন (এমএ এন্ড এএ) অব দ্য কোম্পানি
ডিউলি অ্যাটেস্টেড বাই চেয়ারম্যান/এমডি/সেক্রেটারি
৪। সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন
৫। টিন সার্টিফিকেট
৬। ডিরেক্টরদের তালিকা
৭। একাউন্ট খোলার জন্য রেজুলেশন
প্রযোজ্য নহে।
পাবলিক লিমিটেড
কোম্পানি একাউন্ট
১। জাতীয় পরিচয় পত্র/বৈধ পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র
২। বৈধ ট্রেড লাইসেন্স
৩। মেমোরান্ডাম অন্ড আর্টিকেলস অব অ্যাসোসিয়েশন
অব দ্য কোম্পানি ডিউলি অ্যাটেস্টেড চেয়ারম্যান/এমডি
৪। সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন
৫। সার্টিফিকেট
অব কমেন্সমেন্ট
৬। টিন সার্টিফিকেট
৭। ডিরেক্টরদের তালিকা
৮। একাউন্ট খোলার জন্য রেজুলেশন
প্রযোজ্য নহে।
ক্লাব/এসোসিয়েশন/ট্রাস্ট/
সোসাইটি/শিক্ষা প্রতিষ্ঠান/
মসজিদ/মাদ্রাসা/এনজিও একাউন্ট
১। জাতীয় পরিচয় পত্র/বৈধ পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র
২। বাই লজ, ট্রাস্ট ডিড
৩। রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট
৪। সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্ট থেকে অনুমতি
৫। নির্বাহী কমিটি/গভর্নিং বডির মেম্বারদের তালিকা
৬। এনজিওর একাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে ব্যুরো
অব এনজিওর অনুমতি
১। জাতীয় পরিচয় পত্র/বৈধ পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র
২। বাই লজ, ট্রাস্ট ডিড
৩। রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট
৪। সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্ট থেকে অনুমতি
৫। নির্বাহী কমিটি/গভর্নিং বডির মেম্বারদের তালিকা
৬। এনজিওর একাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে ব্যুরো
অব এনজিওর অনুমতি

Recommended For You

About the Author: এডমিন

২২ Comments

      1. আপনার যে ব্যাংকে একাউন্ট আছে সেই ব্যাংকের যেকোনো শাখায় যেতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় কল সেন্টারে যোগাযোগ করে জেনে নেয়া যে কিভাবে কিভাবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং চালু করতে হবে। প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। https://www.economics.com.bd/যোগাযোগ/

    1. প্রিয়, আপনার মতামতের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। বিস্তারিত তথ্যের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। প্রয়োজনে ফোন করুন। এই লিংক এ আমাদের ফোন নম্বর দেয়া আছে। https://www.economics.com.bd/যোগাযোগ/

      1. স্যার,অন্য কারো একাউনট খোলার সময় যদি পরিচয়দানকারি হিসেবে আমি হই বা আমার একাউন্ট নামবার দেয়া লাগে এবং আমার সিগনেচার করতে হয়ে।তবে কি ভবিষ্যতেআমার কোন সমস্যাহতেপার? দয়া করে জানাবেন ধন্যবা।

        1. আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ। সমস্যা হওয়ার তেমন কোন সম্ভাবনা নেই। তবে ব্যাংক থেকে যদি কখনও ওই গ্রাহককের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব না হয়, তাহলে আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারে।

  1. স্যার,অন্য কারো একাউনট খোলার সময় যদি পরিচয়দানকারি হিসেবে আমি হই বা আমার একাউন্ট নামবার দেয়া লাগে এবং আমার সিগনেচার করতে হয়ে।তবে কি ভবিষ্যতেআমার কোন সমস্যাহতেপার? দয়া করে জানাবেন ধন্যবা।

    1. সমস্যা হওয়ার তেমন কোন সম্ভাবনা নেই। তবে ব্যাংক থেকে যদি কখনও ওই গ্রাহককের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব না হয়, তাহলে আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারে।

  2. ভোটার আইডি কাড ছারা কি সেভিং একাউন্ট খোলা যাবে , আমার জন্মনি বন্ধন কাড আছে কিন্তু ভোটার কাড নাই
    একন কি করবো বলবেন প্লিজ

    1. জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া সাধারণত একাউন্ট খোলা হয় না। তবে জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট যদি ভেরিফাই করা যায় তাহলে একাউন্ট খোলা যায়। আর ভেরিফাই না করা গেলে নিবন্ধন সার্টিফিকেটের উপর ছবি যুক্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেমন ওয়ার্ড কমিশনার/ইউপি চেয়ারম্যান দ্বারা সত্যায়িত করে একাউন্ট খোলা যায়। এছাড়াও পাসপোর্ট দিয়ে একাউন্ট খোলা যায়।

    1. ব্যাবসায়িক লেনদেনের জন্য সাধারণত সিডি বা কারেন্ট ডিপোজিট একাউন্ট খোলা হয়। ব্যাবসায়ের ধরণ অনুযায়ী ডকুমেন্ট দিতে হয়। লিমিটেড কোম্পানির জন্য এক ধরণের ডকুমেন্ট আবার প্রোপ্রাইটরশীপ একাউন্টের জন্য এক ধরণের ডকুমেন্ট দিতে হয়। ব্যাবসায়ের বার্ষিক টার্ন ওভারের উপর ভিত্তি করে লেনদেনের পরিমান নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। যার ব্যাবসায়ের ভলিউম যত বেশি তার লেনদেনের পরিমান তত বেশি দেয়া হয়।

    1. আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ। বিদেশে থাকা অবস্থায় ডিমান্ড ডিপোজিট একাউন্ট খোলা যাবে সেক্ষেত্রে দেশে থেকে যে কোন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডিমান্ড ডিপোজিট একাউন্ট এর ফরম নিয়ে স্বাক্ষর করে সেই স্বাক্ষর দূতাবাস কর্তৃক সত্যায়িত করে দেশে পাঠিয়ে দিলে তবে একাউন্ট খোলা যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *